নাবী কে নাওয়াসে হুসাইন ইবনে হায়দার,
লাড়াকপান কা ওয়াদা নিভানে চালে হ্যায়
সুয়ে কারবালা ওযহ বাহাত্তর কো লে কর
রজায়ে খোদা সর কাটানে চালে হে
ওহয় দুল পে দেখো মাহাদাত কি ধুন মে
চালে তাইগ লেকর ওয়হ শায়রে খোদা কি
আকেলে ওয়হ রান কি তারাফ আল্লাহ আল্লাহ
লেয়িন কি বাসতি মিটানে চালে হে (ঐ)
ওয়হ ঘার সে নিকাল কার মাদিনে কে বাহার
খারে কেহ রাহায়ে হে ইয়েহ যাহরা কে জানি
লায়িনো সে কেহ দো কে উম্মাত কি খাতির
হুসাইন আপনে ঘার কো লুটানে চালে হে (ঐ)
যিধার দেখিয়ে মওত কা হে আন্ধেরা
ইয়েহ রো রো কে কেহতা হে দিল আজ মেরা
হাজারো কে নারঘে মে শাবির তানহা
লাহো আপনা দিল কা বাহানায়ে চালায়ে হে (ঐ)
আতিক ইবনে হায়দার কা সিনে মে ঘাম হে
যাভি আসিম মেরি আখোঁ মে নাম হে
ওয়হ যাহরাকে পেয়ারে আলী কে দুলারে
হে ওয়ক্তে উমর সার ঝুঁকানে চালে হে (ঐ)
<<<অনুবাদ>>> Naate Mustafa
নাবী কে নাওয়াসে হুসাইন ইবনে হায়দার
(নবীর প্রিয় দৌহিত্র হোসাইন ইবনে হায়দার (র.)
যুদ্ধের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় এগিয়ে চলেছে নিরন্তর
মাত্র ৭২ জনকে নিয়ে ছুটে চলেছে ষড়যন্ত্রের কারবালায়, খোদার সন্তুষ্টিতে মস্তিষ্ক দিতে চলেছেন নির্দ্ধিধায়)
(ঐ দুলদুল ঘোড়ার দিকে দেখ সে কি মাহাদাতের নেশায় শেরে খোদার তরবারি নিয়ে ছুটেছে ক্ষিপ্রতায়
খোদার পথে সে নিসঃঙ্গ রণক্ষেত্রে অভিশপ্তদের বসতিতে চলেছে বিধ্বস্ত করতে)
(তিনি ঘর থেকে বের হয়েছেন মদিনার রাস্তায়
তিনি দাড়িয়ে বলেছেন এই যাহরার জানে জিগার
পাপিষ্ঠদের বলে দাও একমাত্র উম্মতের মায়ায়
নিজ পরিবারকে বিসর্জন দিতে চলেছে হোসাইন কারবালায়)
(যেদিকে তাকাই কেবল মৃত্যুর অন্ধকার
এটাই কেঁদে কেঁদে বলছে ভারাক্রান্ত হৃদয় আমার
হাজার শত্রুর ভীড়ে অথচ আমি নিঃসঙ্গ তাবু শিবিরে
রক্ত বয়ে চলেছে আমার আপন হৃদয়ে)
(আতিক ইবনে হায়দারের দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়
সেজন্য অশ্রুপূর্ণ আমার এ হৃদয়
সে যাহরার ভালবাসা আলির স্নেহরতন
সময়ের দাবিতে দিতে চলেছে শহিদি বিসর্জন)