অর্থ:মানব আত্মার বা ‘খুদি’র গোপন রহস্য হলো—‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই)। আর এই
খুদি বা আত্মপরিচয় হলো একটি শাণিত তরবারি,
যাকে ধার দেওয়ার
পাথর হলো এই তাওহীদের বাণী।
ভাবার্থ:মানুষ যখন নিজের আত্মাকে চেনে (খুদি), তখন সে বোঝে যে সে একমাত্র আল্লাহর দাস,
অন্য কারও নয়।
এই বিশ্বাসই মানুষকে অপরাজেয় করে তোলে।
অর্থ:বর্তমান যুগ তার নিজস্ব ইব্রাহীম (আ.)-এর
সন্ধান করছে। কারণ এই গোটা পৃথিবী আজ মূর্তিপূজার ঘরে (পৌত্তলিকতায়) পরিণত হয়েছে, যেখানে একমাত্র মুক্তির পথ ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।
ভাবার্থ:হজরত ইব্রাহীম (আ.) যেমন মূর্তি ভেঙে
তাওহীদ প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, বর্তমান যুগের নানা আধুনিক মানসিক মূর্তি
ও ভ্রান্ত ধারণা ভাঙতে আবারও তেমন দৃঢ় বিশ্বাসের মানুষ প্রয়োজন।
অর্থ:এই দুনিয়ার ধন-সম্পদ, এই দুনিয়াবি আত্মীয়তা ও সম্পর্ক—এগুলো আসলে মানুষের সন্দেহ ও কল্পনার তৈরি একেকটি মূর্তি। এই সবকিছুর ঊর্ধ্বে
সত্য হলো ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।
ভাবার্থ:মানুষ সম্পদ ও সম্পর্কের মোহে অন্ধ হয়ে
যায়। ইকবাল এগুলোকে ‘অদৃশ্য মূর্তি’বলেছেন, যা মানুষকে আল্লাহর পথ থেকে দূরে সরায়।
অর্থ:যদিও আজ জামায়াতের বা চেনা মানুষদের
আস্তিনের ভেতরেও (লুকানো) মূর্তি রয়েছে,
তবুও আমার প্রতি
নির্দেশ এসেছে আজান দেওয়ার—‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’।
ভাবার্থ:মুসলিম সমাজের ভেতরেও যদি মুনাফিকি বা
দুনিয়াবি লোভ-লালসার মূর্তি লুকিয়ে থাকে,
তবুও একজন সত্য
বিশ্বাসীর কাজ হলো সাহসের সাথে সত্যের ডাক (আজান) দিয়ে যাওয়া।
প্রথম শিশুকন্যা
তার ঘরেতে আল্লাহ
ছড়ান রহমত অনন্যা
কন্যা শিশুর বরকতে রব
খোলে দুয়ার জান্নাহ
সেই আনন্দে আরশে বয়
মহাখুশির বন্যা।
জাহেল যুগে কন্যা ছিল
গোমড়া মুখের কারণ
জীবন্ত তাই কবর দিয়ে
করত রক্তক্ষরণ
দাসীর জীবন ছিল তাদের
ছিল চোখের কান্না
কন্যা কন্যা কন্যা ছিল
অপমানের বন্যা । ঐ
হেরার আলো ফুটলো যখন
দূর আরবের দেশে
সম্মানিত হলো তারা
রবকে ভালোবেসে
কন্যা হলো সবচেয়ে দামি
হীরা মতি পান্না
তাদের পায়ের তলে দিলেন
মহান প্রভূ জান্নাহ।
কথা : নুমান আব্দুর রহিম
সুর ও সঙ্গীতায়োজন : আব্দুস সালাম
শিল্পী : সারা মনি ও সুরাইয়া আক্তার সাইফা